না কোনো দিন রাজনীতির দিকে তাকিয়ে থেকেছি না কোনোদিন থাকতে চাই,
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা কথা আজ ভীষন মনে পরছে
"সাত কোটি বাঙালিরে হে মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি"
নিজেদের বানানো একটা গন্ডির ভেতরেই থেকে গেছে মানুষ হয়ে ভাবতেই ভুলে গেছি যেন ।
ভালো মন্দের সব বুঝেও চোখ বুজে সহ্য করে এগিয়ে চলা, এমন খারাপ সময়ে মানুষ খাবার জোগাতে পারছেনা অন্যদিকে কারোর খুশীর আহ্লাদ ঘর ভেঙে বেড়ায়, এরা বেচে যায় আবার কোনো এক রাজনৈতিক দলের নাম নিয়ে ।
সেই বাঙালি জাতির মতোই আজ যেন কিছু মানুষকে রাজনৈতিক দলের সদস্য করে রাখা হয়েছে যাদের মধ্যে মানুষ হয়ে মানসিকতার অভাব আছে শুধু ।
তাদের সেই রাজনৈতিক দলের বাইরে এসে কোনোকিছু ই ভাববার অবকাশ নেই আজ ।
ভোট দাতা বলে ভোট দিই পরিবর্তে কোনো কিছু আশাও করিনি কোনোদিন, যতটুকু অধিকার একজন সাধারণ নাগরিক হলে থাকে সেটুকুই আমার চাওয়া ।
আর সেই পাওনা গুলোই আজ আমাদের অধিকারে নেই যেন, মৃত্যু মিছিল বের হলেও কারোর কোনো হেলদোল নেই, সুখের চেয়ারে বসে নিদ্রামগ্ন এই শহর, এত চিৎকার আর্তনাদ কারোর কানে যায়না আর যারা মানসিকতার খাতিরে নিজের প্রাণ বাজি রেখে এগিয়ে আসছে তাদের নামের সাথে জুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কোনো রাজনৈতিক দলের নাম অথবা কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে সত্যিই মহান এমন মানুষদের মাঝে বেঁচে থাকাটাই কেমন ধোয়াশা মনে হয় ।
কোটিপতি সব নেতা মন্ত্রী তারপরেও যেকোনো পরিস্থিতিতে সেই জনতার কাছেই চাঁদা আদায় করা হয় এটাই তো জনতার পাওনা তাইনা ?
যারা নিজের ঘরের খাবার জোগাতে অক্ষম তাদের সাথে জোর জুলুম টাও বেশি করা হয়,
আসলে সর্বকালের সত্যি এটাই যে শক্তিশালী ব্যাক্তিরা তাদের ক্ষমতা তাদের থেকে কমজোর দের দেখাতে ভালোবাসে অন্যথা তাদের সেই ক্ষমতার অধিকারী হবার যে কোনো মানেই থাকবে না ।
যেদিন সমাজের নীচু শ্রেণীর গরীব কৃষক, মজদুর রা একজোট হয়ে নিজের অধিকার আদায়ের লড়াই এ সামিল হবে সেদিন বুঝবেন আপনার জোগানো খাবার টাও ওদেরই হাতের আর ওদের সাহায্য ছাড়া আপনার একটা মুহূর্ত ও কাটানো অসম্ভব পর হয়ে যাবে, তারপরেও আপনার মত লোকজন তাদের প্রাপ্য সন্মান বা অধিকার যেটা আপনাদের হাতে থাকে সেটুকুও দিতে পারেন না !
ভোট চাইতে যারা বাড়ি বাড়ি এসেছিল আজ কোথায় তারা ?
কই কেউ তো একবারও খোঁজ নিলেন না যাদের ভোটে জয়ী হয়েছেন তারা কেমন আছেন ।
এমনই নেতা বা নেত্রী চেয়েছিল এই শহর বুঝি ?
No comments:
Post a Comment