Saturday, August 17, 2024

নৃশংস খুনি, ধর্ষন কারীদের শাস্তি চাইতে হবে, দেশবাসীকে রাস্তায় নামতে হবে?

এর চেয়ে বড় অপমান 
আর কি হতে পারে বলুন তো, ভারতমাতার জন্য?
সবচেয়ে বড়ো অবাক করা ব্যাপারই হচ্ছে 
এই যে একটা স্বাধীন দেশে নৃশংস জানোয়ার দের বিচার চাইতে দেশের মানুষকে রাস্তায় নামতে হচ্ছে, আন্দোলন করতে হচ্ছে!
প্রশ্ন: একটা স্বাধীন দেশে সঠিক বিচার চাইতে হবে কেন?
দোষী দোষ করেছে, তার জন্য আইন আইনের মত সঠিক নিরপেক্ষ বিচার করবে এটাই যেন অস্বাভাবিক আজকের দিনে পৃথীবির সমস্ত কোনায়!
কিন্তু কেন বলুন তো? এমনটা কেন?
ছোট বেলায় কোথাও শুনেছিলেন "জোড় যার মূলুক তার"
বড়ো হয়ে ওঠার রাস্তায় অনেকেই শিখিয়েছে এমনটা আজকের দিনে হয়না আগে হতো ।
তবে আজ দেখুন সেই "জোড় যার মূলুক তার" ব্যাপারটাই সব চেয়ে বড় সত্যি হয়ে দাঁড়িয়েছে, সমস্ত যায়গায় ।
আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ সাহসী শহীদ বীর দের ত্যাগের পরিণাম কে আমরা এভাবে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি??
সত্যিই আমি মনে করি এর থেকে বড়ো লজ্জা আর কিছু হয়না একটা দেশের জন্য ।
আগে জমিদারেরা লুট, অত্যাচার করত আজ সরকার করে যাচ্ছে,
কখনও ডাইরেক্ট ট্যাক্সের দোহাই দিয়ে কখনও ইনডাইরেক্ট ।
আর এদিকে একটা নৃশংস খুন, ধর্ষনের মত কুকর্মের শাস্তি চাইতে হচ্ছে ভিক্ষার ন্যায়?
কেন এমনটা হচ্ছে বলুন তো? এসবই কি বাস্তবের নিয়ম আদৌ!
এসবই কি দেখার ছিল ৭৮ বছরের স্বাধীন একটা দেশে?

দোষী দের শাস্তি চাইনা 
বরং এমন সরকারই চাইনা যারা দোষী দের টাকায় নিজের খিদে মেটায় ভিক্ষে নিয়ে আর ভোটের আগে মানুষ কেনে ।
শাস্তি দিতেই হবে, এটাই হোক স্লোগান ।
শুধুমাএ এই একটা ঘটনার বলে নয় সমস্ত অন্যায়ের সঠিক এবং নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে ।

Wednesday, July 12, 2023

পঁচিশ বছরের জীবন যেন রোজকার রূপকথা কখনও বা বিরক্তিকর ইউটিউবের একটা অ্যাড যা স্কিপ করা যায়না ।


জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য দিন ।

২৫ টা বছরের পূর্ণতা, এই পূর্ণতার সাথে সাথে আমি নিজেকে যেন অনেক কিছুতেই অপরিপূর্ন খুঁজে পাই, অনেক গুলো প্রশ্নের জবাবে শুধু নির্বাক তাকিয়ে থাকতে দেখি ।
জানিনা কেমন এই অপরিপূর্নতা অনেকটা তৃষ্ণার্ত লোকের জল পান করতে নারাজ করে দেওয়ায় মত যেন ।

দাড়িয়ে রয়েছি এমন একটা সময়ের মুখে যখন অনেকে সাফল্যের সীমানার পৌছে গিয়েও গোমড়া মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকে, সেখানে আমার নিজস্বতা যেন আমাকেই লজ্যা দিতে বাধ্য।
সু-প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ারের স্বপ্ন এবং অর্জনগুলিতে ভরা জীবন নিয়ে এক অন্য পথ চলা এসবই তো জীবনের অঙ্গ তাই নয় কি ! আর যাইহোক, আমি আমার পছন্দগুলি নিয়ে প্রশ্ন করে চলেছি এবং কীভাবে এমন ভবিষ্যতের দিকে নিজেকে নিয়ে এগোতে পারবো যেগুলো আমার আনন্দ, পরিপূর্ণতা এবং স্থিতিশীলতার আঁচ দেবে ।

তবে বেকারত্বই যেন বর্তমানে নিজের জীবনের উপর একটি ভারী ছায়া, যা প্রতিদিন একটি চড়াই যুদ্ধের মতো অনুভূত হয় ।
হতাশা থেকে আত্ম-সন্দেহ পর্যন্ত বিভিন্ন আবেগের প্রকাশ, যেভাবে আমাদের দক্ষতা, মূল্য এবং আমরা যা পছন্দ করি তা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারি তেমনই নির্দিষ্ট বয়সের দ্বারা নির্দিষ্ট মাইলফলক এবং অর্থ উপার্জনের সামাজিক চাপও এই অনুভূতিগুলোকে আরই প্রশস্ত করে ।

জীবনের এই মুহুর্তে, আমাদের সত্যি আবেগ এবং আকাঙ্ক্ষা গুলির বিরতি দেওয়া এবং প্রতিবিম্বিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে । বেকারত্ব আমাদের দক্ষতা, আগ্রহ এবং লক্ষ্যগুলি পুনরায় মূল্যায়ন করার সুযোগ দেয় আর নতুন সুযোগ গুলিকেও অন্বেষণ করার, নতুন জ্ঞান অর্জন করার এবং সম্ভবত আমাদের জন্মগত প্রতিভা এবং আকাঙ্ক্ষার সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সারিবদ্ধ হওয়া একটি ভিন্ন ক্যারিয়ারের পথ বিবেচনা করার সময় ।
তবে এসব বুঝতে বুঝতেই যেন জীবনের অনেক গুলো অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে গিয়েছে ।

তারপরেও হতাশায় ডুবে যাওয়ার পরিবর্তে, আমার হয়তো এই সময়কাল টিকে ব্যক্তিগত বৃদ্ধি এবং স্ব-উন্নতির জন্য উপযুক্ত সময় হিসাবে দেখা দরকার ।
আমি খুব ভালো করেই জানি যে জীবন কোনও পূর্বনির্ধারিত ফিনিস লাইনের প্রতিযোগিতা নয় । প্রতিটি ব্যক্তির যাত্রা অনন্য, এবং অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করার প্রলোভন প্রতিরোধ করা অপরিহার্য ।

আজ, আমি আমার ২৫তম জন্মদিন উদযাপন করার সাথে সাথে আমি বেকারত্ব এবং অসম্পূর্ণ শুভেচ্ছার চ্যালেঞ্জ গুলি স্বীকার করছি । নিজের ব্যক্তিগত বৃদ্ধি, উদ্দেশ্য পুনরায় আবিষ্কার এবং সুখের সন্ধানের সুযোগকেও আলিঙ্গন করছি । আমি স্বীকার করছি যে সাফল্যটি কেবলমাত্র সামাজিক মান দ্বারা পরিমাপ করা হয় না তবে বড় এবং ছোট উভয় কৃতিত্বের মধ্যে আনন্দ, তৃপ্তি এবং পরিপূর্ণতা খুঁজে পাওয়া আমার নিজস্ব ক্ষমতা দ্বারা এগিয়ে যাওয়া, স্থিতিস্থাপক থাকা এবং সামনে থাকা সম্ভাবনা গুলির সন্ধান করা আমার সংকল্প, আমি এমন ভবিষ্যতের সন্ধান করছি যেখানে আমি সত্যিই নিজেকে উপভোগ করতে পারি আর জীবন নামক এই সুন্দর যাত্রা কেও ।।

Tuesday, January 10, 2023

একটা সময় মানুষ নিজেকে সামলে নিয়ে এগিয়ে চলতে শিখে যায় ।

বড্ড বোকার মতো প্রশ্ন করিস তুই !
মনে হয় আগের থেকেও বেশি গাম্ভীর্যতার আঁচ লেগেছে,
আমি ফেলে পালিয়ে যাওয়ার পরেও তুই এমন ভাবে নিজেকে এতোটা বেসামাল করে রাখবি ভাবিনি কখনও।
ভেবেছিলাম অন্তত আমার ওপর রাগ করেই কিছু একটা করবি
ভেবেছিলাম নতুন ভাবে নতুন পথের খোঁজ শুরু করবি ।
কিচ্ছু করিসনি তুই, কিছুই না বড্ড বোকার স্বর্গে পৌঁছে গিয়েছিস আরই ।
জানিনা কিসের এত শত রাগ অভিমান আর গাম্ভীর্যতা তোর।

আজ প্রায় পাঁচ বছর পরে একটা কফি হাউজে আবার দুজনের চোখে চোখ পরে,
যদিও স্পর্শ হয়তো চায়নি আর কোনোদিনও আমাদের দেখা বা কথা হোক ।
সে একবার তাকিয়েই মুখ ফিরিয়ে কফি হাউজের থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে,
কুয়াশাচ্ছন্ন দার্জিলিং এর সকাল আর একটু দূরে গেলেই
আবছা হয়ে যাবে স্পর্শ, আমি ঠিক করি আজ এত গুলো বছর পর অন্তত কথা বলাটা উচিৎ ছেলেটা আজও রাগ করে আছে ।
আর যাই হোক দুজনে মিলে অনেক গুলো ভালো মুহূর্ত কাটিয়েছি একসময় আজ যদি পাঁচটা বছর পর দেখা হয়ে গেল কেন নয় একবার জিজ্ঞেস করি কেমন আছে সে ।
জানি হয়তো গভীর ভাবে আমার ওপর অভিমানী নাহলে এভাবে কেউ সকাল সকালে কফি হাউজ থেকে বেড়িয়ে যায় শুধু একজনকে দেখেই !!
বড্ড খারাপ লাগছে আমার, নিজেকে থামাতে না পেরে পিছু করতে শুরু করি স্পর্শের 
দৌড়ে গিয়ে পেছন থেকে ওর ডান হাত টা ধরে বলি শোন না,
সে আর মুখ ফিরেও তাকাতে চায়না,
সেভাবে দাড়িয়ে দাড়িয়েই প্রশ্ন করলো হঠাৎ এভাবে হাত ধরে নেয়া টা মনে হয়না ঠিক হচ্ছেনা, এভাবে রাস্তার মাঝে !!
প্লিস ছেরে দাও হাত টা আমায় যেতে হবে ।
একটু সময় হবে কথা বলতাম, পাঁচ বছর পর আমাদের এই প্রথমবারের দেখাতে অন্তত একসাথে এক কাপ কফি খাওয়াই যায়,
তাছারা আমি এটাও চাইনা কেউ আমার জন্যে সকালের চা না খেয়ে বেড়িয়ে যাক কফি হাউজ থেকে ।
আমার খারাপ লাগছে ছেরে দাও প্লিস আমি কিচ্ছু বলতে চাইনা তোমাকে আর আমি কারোর জন্যেই কফি হাউজ ছেরে যাচ্ছিনা কে হয়ে যাবে ভেবে রিটার্ন করছি ।
বেশ ঠিক আছে তবে আমি রিকুয়েস্ট করছি আজ প্লিস কতদিন হলো একবার ভূল করেও আমাদের দেখা হয়নি তো প্লিস ইয়ার ছারনা রাগ, আমি ওর হাত ছেড়ে দিয়ে সামনে গিয়ে দাড়াই ওর চোখের দিকে তাকাতেই দেখি ওর দুটো চোখ থেকে জল ঝরে পরছে,
আমি নিজেকে স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করলেও পারিনা
নিজেকে ক্ষমা করতেও সাহস হচ্ছেনা,
আমার সহজে কোনো কিছুতেই অত বেশি খারাপ লাগেনা
তবে আজ একজন কে দেখে এভাবে নিজেকে কেমন পাপী মনে হচ্ছে ছেলেটা এত গুলো বছর আমার জন্যে মন খারাপ করে রেখেছে আর আমি স্বার্থপরের মত শুধু ইগনোর করে গেছি ।
ভাবলাম ওকে জড়িয়ে ধরে বলি ভালোবাসি তোকে প্লিস কান্না করিসনা সরি রে সরি প্লিস পারলে ক্ষমা করিস,
ভেজা গলায় বলে আমি চাই তুমি চলে যাও আর আমাকেও যেতে দাও ।
হাতটা ধরলাম আবার, ভেজা সকালে চোখের জল যেন মুছে গিয়েছে
কফি হাউজের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম সেও যেন শান্ত ভাবে আসছিল আমার সাথে,
জানতাম ও শান্ত হয়ে যাবে কিন্তূ তবে এতোটা গম্ভীর হয়ে গেছে সে এক দেখা না হলে জানতাম না ।
আমি দুটো কফি আর কিছু স্নাক্স অর্ডার করলাম ও তাকিয়ে আছে জানলার দিকে,
আমিও আর কিছুই বললাম না, কফিও চলে আসলো দুজনে চুপচাপ কফি শেষ করলাম ও একবারও আমার দিকে তাকালো না জানি কি চলছে ওর ভেতরে ।
ও তাড়াহুড়ো করে গিয়ে কার্ড থেকে পেমেন্ট করে দিলো আমিও বাধা দিতে গেলাম না,
একসাথে বাইরে বের হলাম কফি হাউজ থেকে
সব কিছু ভুলে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এখানেই থাকছিস মনে হচ্ছে !
না প্রায় দেড় মাস মতন আছি স্পর্শ উত্তর দিলো
ভালো আছিস তুই !
হ্যাঁ খারাপ থাকার কোনো কারন তো নেই ।
হমম অবশ্যই,
অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছিস তুই রে আগের থেকে আরও গম্ভীর হয়ে গিয়েছিস,
না আজকাল আর উত্তর দিতে ইচ্ছে করেনা,
কোনো সম্পর্কে আছিস নাকী ফরেভার সিঙ্গেল থাকার ইচ্ছে নিয়েই ঘুরছিস ।
আপাতত একার অস্তিত্ব টাকেই ভালবাসি অন্তত ছেরে তো যাবেনা আমাকে ।
ওহ ভালোই, বলে জড়িয়ে ধরলাম ওকে বললাম পারলে ক্ষমা করিস আমাকে
সে কোনো রিয়াকশনই দিলনা, বরং বললো আমি কাউকে ক্ষমা করার মতো পর্যায়ে আজ অব্দি রাখিনি কাউকেই, এতোটা নিচুতে রাখিনি ।
আর আমি তোমার ওপর রাগ করেও নেই অতএব ক্ষমা করার কোনো প্রশ্নই নেই, প্লিস নিজেকে দোষী মনে করোনা ।
আচ্ছা ফোন নম্বর টা সেভ আছে আমার !
হ্যাঁ ডিলেট করার দরকার পরেনি কোনোদিন।
তোর নম্বর টা দিবি আমাকে কথা বলতে চাই আবার !
নতুন একটা ফ্রেন্ডশিপ করাই তো যায়,
সে কিছু উত্তর না দিয়েই ফোনটা রিসিভ করে হাত দেখিয়ে চলে গেল।
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম, হয়তো এভাবেই একজন পিছনে পরে থাকার মানুষও নিজেকে সামলে নিয়ে তোমাকেই পেছনে ফেলে দেবে একটা দিন ।
আমি আমার কাজ শেষ না করেই বাড়ি ফিরলাম উদাসীন এক মানসিকতা কে সাথে নিয়ে ।



এ যেন শুরুর আগে শেষ টা দেখা বাকী !!

আবার অনেকদিন হলো কাজ ছেড়েছি,
নতুন খোঁজেই বলা যায় বিদেয় নিয়েছি অন্য একটা কারণ
বলতে গেলে বলা যায় নিজের ব্যক্তিগত সন্তষ্টি ব্যপার টা ছিলই না এই কাজে ।
প্রায় 10-11 মাস হতে চললো নিজেকে সামলে রাখতে পারছিনা
এখন আবার মনে হচ্ছে আমি সত্যিই আজব, নিজেকে প্রশ্ন করে নিজেই নিজেকে উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছি,
পাইনা শুধু উত্তর ।
অনেক গুলো জায়গায় ইন্টারভিউ চললো কোথাও আমার
পোষালো না তো আবার কোথাও আমাকে তাদের পোষায়নি !
E-mail এর পর E-mail, assignment এসব নিয়েই ব্যাস্ত জীবন যেন ।
পাশাপাশি চলছে অনেক কিছুই পাওয়া না পাওয়ার কাব্য লেখা,
শুধু স্থীর ভাবে দাড়ানোর মতো একটা স্পষ্ট ঠাই বাদে ।
কত কিছুর আনাগোনা, আদান প্রদানের মধ্যেই একরকম এগিয়ে
চলা যেন জীবনের নতুন উপলব্ধি ।
অভাবীর মতো তাকিয়ে আকাশ দেখি আমি,
জানিনা কিসের অভাব কোথায় এর পরিপূর্ণতা !
সবে একাকীত্ব টাকে আমি বুঝতে শিখেছি আর এই ভালো লাগার
শুরুতেই যেন শেষ হয়ে সব কিছু নিস্তব্ধ হয়ে পড়ল ।
কি শিখলাম কেন শিখলাম আগামীকে কীভাবে দেখলাম
কিছুই স্পষ্ট ভাবে নজরে পড়ছেনা আজ,
আগুনের ছোঁয়া না পেতেই এই শীতের রাতে আমি ঘেমে কর্দমাক্ত
হয়ে নিজেকে শীতল করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই ।
বুঝে ওঠার আগেই ঘুমিয়ে পরি, রাত দুপুরে মিউজিক প্লেয়ারে স্লিপিং টাইম দিয়ে আবার ঘুমনোর চেষ্টা করছি ।
কত লেখা চারিদিকে আমার সময় অনেক
তবুও সময় নেই নিজের জন্যে,
একাকী বসে রাস্তার দিকে তাকিয়ে রাস্তা শেষে
অন্য রাস্তার শুরুর অপেক্ষা যেন ।
এই তো শুরুর আগে শেষ টা দেখার বাকী তাই নয় কি !!

Tuesday, December 27, 2022

দুইটা মানুষ

দুজনেই প্রায় সমান অবস্থানের,
তবে একজনের ক্ষমতা একটু বেশি অন্যজনের তুলনায় ।
যেটা অস্বাভাবিকের মত কিছুই নয়,
তার সত্বেও যে মানুষটি কম ক্ষমতাবান সেই মানুষটিকেই
শুধু দেখি নিজের সমস্ত কিছুকে তুচ্ছ করে নিজের
দায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে, না পারলেও করছে,
হ্যাঁ নিজের সমস্ত কিছুকে তুচ্ছ করে ।
আর অন্যদিকে যার ক্ষমতা আছে সে চুপটি করে থেকে
সব কিছু দেখছে নির্লজ্জের মত, দিন শেষে ঘরে কি রান্না হবে তার খবর টুকুও রাখেনা ।
চাইলেই তো অনেক কিছু করতে পারে মানুষটা
তবুও ভালো চায়না !!
তার কাছে দায় দায়িত্ব মান মর্যাদার কোনো মূল্য নেই
তাহলে কেউ কেনই বা তাকে সন্মান করবে !!
তবে আমার নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে
এসব কিছু নিজের চোখে দেখে,
নিজেকে প্রশ্ন করছি, আমার কি কিছুই করার নেই !!
অথবা কেন কিছুই করে উঠতে পারছিনা !
এত যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছিনা আর, গুমরে মরছি কেন !
তারপরেও শুধু এত টুকু বিশ্বাস করতে পারছি হয়তো এতটুকুই আমার চাওয়া পাওয়া,
একদিন আজকের মত অসহায় আর থাকতে
দেবনা এই দিন গুলোকে ।
হ্যাঁ এটা নিশ্চিত জীবনের সব থেকে বড়ো যদি কোনো
উদ্দেশ্য থেকে থাকে তাহলে সেটা হলো
সেই কম ক্ষমতাশীল মানুষটাকে
পৃথিবীর সমস্ত খুশি গুলো এনে দেবার ।