Showing posts with label মায়াবী ছন্দ. Show all posts
Showing posts with label মায়াবী ছন্দ. Show all posts

Sunday, March 28, 2021

যেগুলো আমার চাই

আমার চাই কিছু মৃদু হাসির ফোঁটা

যেগুলো আমায় ভেজাবে বৃষ্টির আদলে আর লুকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে চোখের জলকে ।


আমার চাই কিছু স্বপ্নের সততা যেগুলো ঘুমের মাঝে জানিয়ে দেবে কিছুটা সত্যি আমায়, আর সেই নতুন পুরনোর কিছুটা, আমার চাই খুশিতে ডুবে থাকার একটা নতুন অজুহাত, আর চাই কিছু অভিযোগ, তার মাঝে লুকোনো সত্যি গুলো সমেত ।


তাকিয়ে থাকতে চাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সময় ধরে পাহাড় চুড়া থেকে ঝরতে থাকা জলের স্রোতের দিকে আর হারাতে চাই সবুজের ভিড়ে ।


একটু বাচঁতে চাই প্রকৃত সুখ নিয়ে, চাই পাহাড়ী নীল আকাশের মাঝে ঘন কুয়াশা হতে ।

চাই সবুজের মাঝপথ দিয়ে চলার সময় প্রিয়তমার হাতে হাত রেখে নিজেকে বড্ড বেশী সুখী মনে করতে ।

চাই সমুদ্রের বুকে আস্ত একটা দিন শেষ করে দিতে ।

চাই অজানার শহরে শান্তির হাঁটাচলায় নিজেকে নিজের মতন করে হারিয়ে দিই ।

চাই আকাশপ্রান্তরে ভেসে মেঘেদের ভ্রমণ কাহিনী আর তাদের আনাগোনার গল্প লিখতে ।


প্রখর রোদের সোনালী রঙের বালিতে বসে বালির পাহাড় বানাতে ।

মন তো চায় হাজার কিছুই তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে দিতেই কখন যেনো এসব চাওয়া পওয়ার মূল্য টাই কমে যায় ।।


বি: দ্র: কাল্পনিক


Thursday, March 25, 2021

পান্ডুলিপির ছাই

 আর যাই হোক সূখের কাব্য গুলো খুব কম মানুষই লিখতে পারে,

উন্মুক্ত আকাশের নীচে বসেও শারীরিক রোগ বিহীন কেউ যখন অনুভব করে তার শ্বাস আটকে যাচ্ছে আর মনে হচ্ছে যেনো আবদ্ধ অন্ধকার এই ঘরে সে আর থাকতে পারছেনা, এমন অদ্ভুত অবাস্তব ব্যাপার গুলো সবার কাছেই কাহিনীর মতো লাগে ।

কেউ কোনদিন সত্যি জানতে পারেনা আর কাউকে বলেও বোঝানোর ক্ষমতা কারোর কাছে হয়ত থাকেই না ।

কখনও কোনো গোপন ডায়রীতে পরে থাকে অথবা অবহেলার শিকার হতে হতে অধরা হয়ে যায় সবার মাঝে থেকেও ।

আসলেই এমন দুর্বল প্রকৃতির মানুষগুলো কারোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেনা একটু কিছুতেই নিজেকে হারিয়ে ফেলে, দোষ না থাকলেও নিজেকে দোষী মনে করে মন খারাপ করে থাকে, একটু আদরেই আবেগী হয়ে পরে আবার হয়তবা এদের ভাগ্য টাই খারাপ ভাবে লেখা হয়েছিল যেখানে দোষ না করেও দোষের ভাগী বানানো থেকে যে কোনো পাওনা আদায়ের ভাগ থেকে বঞ্চিত করে দেয়া অব্দি সর্বত্র।

জানিনা যাদের থেকে মুক্ত হতে চায় তারা কেন বারংবার এদের আরও নিঃসঙ্গ পথিক করে দেবার চেষ্টা করতেই থাকে,

যাদের সঙ্গ পেতে চায় তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়,

কেমন এই সমাজের নিয়ম কেনই বা একজন আরেকজন কে নিঃস্ব করার চেষ্টা করে যাচ্ছে আদৌ কি কোনো দিন আসবে সবার সুখী হবার নাকি সেই মাত্র কয়েকজনেরই লেখা পড়ে থাকবে আজীবন?

বুঝিনা আজব এই পৃথিবীর নিয়ম,

জানিনা সুষ্ঠ ভাবে বাঁচতে কোন সে বৈশিষ্ট্যের প্ৰয়োজন!

অভিমানী ছন্দ আর ভাবনারা এসবেরই উত্তর জমা করতে থাকে আর মরুভূমির সেই ঢিবি যেন বারংবার স্থান বদল করে ।

Wednesday, March 24, 2021

আমাদের সঙ্গী হলো, যারা আলোকিত

এত জোনাকি, এত আলো অন্ধকার!
অল্প কিছুক্ষণেই এমন মায়াবী নিশ্চুপ নিরবতা যেন ঘিরে ফেলেছে আমায়, আর জড়িয়েছে পরম আদরে ।
শীতল বাতাসের স্পর্শ হাতের দিক দিয়ে ঢুকে পুরো শরীর টাকে ছুয়ে যেন আরও গভীর নেশায় মত্ত করার চেষ্টা করছে বাতাসের এই গভীর প্রচেষ্টাকে আমার আর অব্যাহত করতেও যেন মন চাইছে না, শিরশির করে আমায় ছুয়ে যাচ্ছে শুধুই । ঘরে ফিরতে মন চাইছে না,
আর মনেই হচ্ছিলো না অজানা এই পাহাড়ের কোল কোনদিন আমার অচেনা ছিল বলে ।
এমন অচেনা কেউ যে এতক্ষনে কতটা গভীর ভাবে আমার মনের গহীনে আস্ত একটা নতুন কাহিনীর জন্ম দিয়েছে সেসব কথা বলে বোঝানোর মত মোটেও নয় অথবা শুনলেও বোঝার ক্ষমতা টা আর সবার হয়তোবা নেই ।

দুজনই ভীষন স্তব্ধ ভাবে প্রকৃতির পরম আদর মাখছি গায়ে, স্নেহা আর আমার এই প্রথম ডেট টা যেনো আরও বেশি রোমাঞ্চকর অনুভূতির সৃষ্টি করছে।
দুজনই অগভীর নেশায় মত্ত তখন, শুধু চোখে চোখে কিছু ঈশারার আলাপ আর আলগা করে ওর হাত গুলো আমার কপাল ছুয়ে দিচ্ছে,
শুধু সহানভূতিতে ভরা শব্দ গুলোই যে মন ভালো করার ওষুধ সেটা বরং একটা  মিথ হয়েই থাক আমার কাছে।
রাত বাড়ছে যতই চারিপাশের আলো গুলোও ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছে, সাথে জোনাকিদের মেলা যেন আরও জমজমাট হচ্ছে,
এসবের মাঝে একটা বিরক্তিকর আওয়াজ-
হোটেল এর দাদা টা এসে বলে গেলো
"এক্সকিউজ মে ভাইয়া রাত ইগারো হো চুকা হেয় আপলোগ প্লিজ রুম মে আজাইয়ে"
এই শহরের নিয়মই এটা রাত এগারটা অব্দি বাইরে থাকা যায় তারপর রাস্তায় দেখতে পেলে সোজাসুজি পুলিশের গাড়িতে করে থানা।
দুজনই ইতস্তত হয়ে ঘরে ঢুকলাম, জানলা দিয়ে দেখা যাচ্ছে শুধুই পাহাড়ের চূড়ায় থাকা মোবাইল টাওয়ার এর আলো গুলো, জোনাকী রাও যেন কোথাও হারিয়ে গেলো কিছুক্ষণেই ।

আমি কোনদিন আমার ভাবনা গুলোকে সম্পূর্ণ ভাবে বোঝার মতন কাউকে পাইনি তবে স্নেহা যেনো এই অভাব টাকেই পুরোপুরি ভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে আজ সেটা ভেবেই নিজেকে ভীষন ভাগ্যবান মনে করছি ।
সে জিজ্ঞেস করে এমন ভালো কেউ বেসেছে তোমায় ?
আমি শুধু তাকিয়ে থাকি ওর চোখের দিকে সেও বুঝে নেয় না বলা অগভীর ভাবনা গুলো কে, যেমনটা আমি চাইতাম, দূজনায় এভাবে সুখী থাকার অঙ্গীকার গুলো অটুট ও জীবন্ত রাখতে আগামীর দিকে বিশ্বাসের পা ফেলা ।।

বিঃদ্রঃ : স্বপ্নাতীত, কাল্পনিক ও বাস্তব জীবনের মর্মস্পর্শী ভাবনার জগৎ থেকে মুক্ত পাওয়া কিছু ভাবনা লেখনীতে তুলে ধরার চেষ্টা ।