এভাবে শ্বাসরুদ্ধ করে বেঁচে থাকা যায়না আর অবাক করা বাস্তব হলো কেউ তারপরেও মরে যায়না, বেঁচে থাকে একমাত্র অবলম্বনকে আগলে রাখতে না পারলেও ।
তুই জানিসনা আদৌ কি কি হয়েছে আমার সাথে, এই কয়েক বছরে ।
তোর যা ইচ্ছে করার ছিল সব করেছিস আজকে আমায় মিথ্যা সহানুভূতি দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই আমি ভালো আছি ।।
কথা গুলো বলেই উজান নিজের মতন হাঁটতে থাকলো, আসলে নিজেকে সামলে নেবার চেষ্টা করতে করতে যতবার হেরে গিয়েছে সেসব সহ্য করতে না পেরে নিজেকে তিল তিল করে কষ্ট দিচ্ছিল আর সেসবের অভ্যেস গুলোর থেকেই যেন এক নতুন উজানের জন্ম হয় ।
যে নিজেকে ছাড়া আর কিছুই বুঝতে চায়না এখন আর; অন্যদিকে কাজের দায়িত্ব পালনের কথা সবাই জানে, দুর্দান্ত সাহসী ভূমিকা পালন করেছে প্রত্যেক বার ।
দুই বছরে অনেকগুলি অ্যাওয়ার্ডও কামিয়েছে সব তার কেবিনে রাখা আছে, যে কেউ দেখলে তারিফ ছাড়া থাকতে পারেনা, সত্যিই দারুন ব্যাক্তিত্ব ।
জয়েন করার কয়েকদিনেই কেউ একজন ওর জামায় ভুল করে কালি লাগিয়েছিল যে ছেলেটা আজকেও উজানের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে ভয় করে ।
তবে সেদিন উজান কেও কম কথা শুনতে হয়নি ওর সিনিওর এর থেকে ।
সেই উন্মাদ চটে যাওয়া ছেলেটাই যে উজান আজ সেটা বোঝা যায়না ।
তবে এরপর আর এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বরং সবার মুখে তারিফ শুনেছে ওর ভালো কাজের জন্যে ।
আর সবে মাত্র একটা 'Solo Ride' থেকে ফিরেছে যেটা ওর স্বপ্ন ছিল ওর প্রেমিকা অর্থাৎ ভীষন কাছের মানুষের সাথে করবে,
যে আর কেউ না যার সাথে দেখা হয়েছিল একটু আগেই যাকে দেখলে উজান নিজেকে সামলাতে পারেনা ।
সেই মিথ্যেবাদী মানুষটার দেখা পেয়ে এখন আর নিজেকে বেসামাল করতে চায়না উজান ।
ঠকার পরেও নিজেকে লজ্জাহীন করে ক্ষমা চাইলেও যে তার একটা কথা বিশ্বাস করেনি অথবা জানতেও চায়নি, জানতে চায়নি ওর মনের অবস্থা বা কেমন আছে সে ।
উজান আর আমার আজকের কফি আড্ডা টা প্রত্যেকদিনের মতো থাকলো না ওর মন খারাপিরা কফি কাপেদেরও দূরে সরিয়ে রেখেছে আজ ।
No comments:
Post a Comment