অবশেষে সেও পালালো আমায় ভীষন একলা করে ।
অন্ধকারের এ পথ চলা যেন শেষই হচ্ছে না,
আজ তোমায় নিয়ে আবার লিখতে হচ্ছে জানিনা এবারে শেষ বলে শেষ লেখা হবে নাকি আবারও লিখতে হবে তোমায় নিয়ে !
জানতো কোনোদিন অসীম সাহসী হতে চাইনি আমি, আগ বাড়িয়ে নিজেকে মহান দেখাতেও কোনোদিন চাইনি তবে আমার দ্বারা কোনো ভুল হলে তাতে নিজেকে দোষী বলতে পিছুপা হতে কোনোদিন শিখিনি কেউ হয়তো শেখায়নি বলেই ।
আগলে রাখা কিছু ডায়রির পাতা আমায় যতটা চেনে ভেবেছিলাম কয়েকবছর আগে যার অনেক কাছের হয়েছি সেও আমায় চিনেছে বোধহয়, ওর প্রত্যেকটা আদুরে স্পর্শ আমায় গভীর ভাবে মত্ত করেছে, পাল্টে যায় নিজেকে অব্দি উপলব্ধি করার ছন্দ টাও, নিজেকে এভাবে এতটা খুশী হতে কোনোদিন দেখিনি ওর চোখের প্রত্যেকটা পলক মায়াবী মনে হতে শুরু করেছে আমার অজান্তেই ।
নতুন পথের সাথী যেন, যার সঙ্গ ছাড়ার ইচ্ছে করেনি, চাইনি তাকে অজান্তেও আঘাত করতে, চলেছি সামলে নিজেকেই বরং আঘাত হেনে । পথ শেষ হবারই ছিলনা তা অবশ্য স্পষ্ট ছিল তারপরেও জানিনা বেসামাল কথার অর্থ কিছু আলাদাই মনে হয় ওর কাছেও আর সেই ছেরে যাওয়া কোনোদিন ফিরে তাকায়নি ।
আজ সেই তুমিই যদি ঠিক ভুলের কথা বলতেই চাও তাহলে যুক্তি নিয়ে এসো হেরে যাবে কথা দিচ্ছি, তুমি যেভাবে যতবার আমার সাথে প্রতারণা করেছ তার পরিবর্তে তোমার যে অনুশোচনা থাকা উচিত সেটা অব্দি নেই, আমিও বরং সেসব কথায় অভিমান করে নেই, উল্টোদিকে আমি যতটা বড়ো ভুল করিনি তার থেকেও লক্ষ গুন বেশি আঘাত পেতে হচ্ছে এখনও । আমি সহ্য করছি কিন্তু কারণটা কী জানতে চেয়েছ কোনোদিন ? না সেসবে তোমার সময় হবেই বা কেন তুমি তো এখনও মিথ্যে বলো আমায় ব্যাস্ততার অজুহাত দাও, কিন্তু আমি সারাদিনের ব্যাস্ততার শেষেও তোমায় ভুলে যাইনি কেন জানো ??
থাকুক তুমি নাহয় নাইবা জানলে আজ সেসব, সময় জানি সব কিছুর সত্যি টা একদিন ঠিক দেখিয়ে দেয় এর উদাহরন হিসেবে তোমার আজকের পছন্দ কেই বলা যায় একদিন আমি তোমায় বলছিলাম যে কোরিয়ান দের আমার বেশ ভালো লাগে এর জবাবে তুমি কি বলেছিলে মনে আছে? ওরা ছেলেরাও নাকি মেয়ের মতন বুঝিনা আমার বোনের কেন এসব ভালো লাগে ।
আর সেই তুমিই আজ কোরিয়ান ছেলেদের কে অন্য কেউ মেয়েলি বললে রাগ দেখাও
এটা হাস্যকর নয় কী? জাস্ট একবার নিজেই ভেবে দেখ যে তুমি ঠিক কতটা ভন্ড তবুও তোমায় অপমান করে কোনোদিন বলতে চাইনি তুমি ভন্ড এর মানে তো এটা হতে পারেনা যে তুমি ভুল না বা কেউ তোমার দিকে আঙুল তুললেই তুমি তাকেই উল্টে জিজ্ঞেস করবে "who the hell are you?" আদৌ এভাবে কি নিজেকে সন্মান দেখানো হয় ?
তোমার নামে অভিযোগ করলেই তুমি রাগ দেখাবে, অভিমান করবে কিন্তু সত্যি টা পাল্টে যাবে এতে ?
নিজের ভুলটা স্বীকার করার ক্ষমতা কেন নেই তোমার !! এই সামান্য সাহসটুকুও যদি না থেকে থাকে তাহলে মানুষ হবার অর্থই বা কি থাকে বলো !!
এর পরেও তুমি কতটা কাছের মানুষ তা বলে বোঝানোর নেই, তুমি বুঝবেও না হয়তো কোনোদিন
"কাছের মানুষ দূরে থুইয়া মরি আমি ধর ফরাইয়া রে"
আসলে সত্যি বলতে আমি অন্তত চাইনা এভাবে মরতে আর এই স্বল্প পাওয়া না পাওয়ার মাঝে দাড়িয়ে থাকা সবথেকে বড়ো প্রহরী হলো তোমার অভিমান ।
আমি নিজের ইগো টাকে সেল্ফ রেসপেক্ট এর নাম দিইনি আমি নিজের কথা ভেবেই সন্মানের সাথে গর্বিত হয়েই বরং তোমার কাছে মাথা নীচু করেছি তুমি এরপরেও গুরুত্ব টা বুঝলে না আর বিশ্বাস করো এতে আমার কোনো লজ্জাবোধ নেই ।
এতে আমার সেল্ফ রেসপেক্ট হারিয়ে যায়নি আর যাবেও না কোনোদিন কারণ নিজেকে মিথ্যা বলাই আসলে নিজেকে অসন্মান করা আর আমি সেটা অন্তত করিনি ।
কেউ যখন আমাকে তোমার কথা জিজ্ঞেস করে কেমন আছো বা তুমি আমি একসাথে নেই কেন,
তখনই বানিয়ে একটা মিথ্যে কাহিনী শোনাতে হয় কখনও তোমার নামে কখনও বা আমার নামে ।
আসলে আমাদের সম্পর্কের অস্তিত্ব টা থেকেও নেই ভাবতে হচ্ছে আজ তোমার অস্তিত্ব থেকেও নেই মনে করতে হচ্ছে যেখানে শুধুমাত্র তোমার অভিমানের প্রহরী দাড়িয়ে রয়েছে তুমি চাইলেই সহজে সব কিছু পাল্টে দিতে পারো ।
অভিমান করে 'তোমার চোখের সামনে প্রবল বৃষ্টি তে আধভেজা আমি ভিজে যাচ্ছি সম্পূর্ণ ভাবে'
তবু্ও তোমার মন গলবে না হয়তো কোনোদিন !!!
তুমি ফিরলে না সন্ধ্যে নামের পরেও ।।
No comments:
Post a Comment