Thursday, December 15, 2022

নিজেকে রাজা ভাবলেই তো আর রাজা হওয়া যায়না !

কিছু মানুষ নিজের সম্মানের জায়গা টাকে সন্মানিত করে রাখতে পারেনা ।
যেভাবে একটা রাজার সিংহাসনে বসলেই যে কেউ রাজা হয়ে যেতে পারেনা কিন্তু ছল চাতুরী করে অবশ্যই সেই সিংহাসন টা আদায় করাই যায় কিন্তু রাজ্যবাসী যতদিন না তাকে মেনে নেবে ততদিন সে একজন আসল রাজা হতে পারেননা তেমনই নিজের সম্মানবোধ টাকেও আদায় করে নিতে হয়, জনগণের ভালো ভেবে, জনগণকে ভালোবেসে, ইতিহাসও সাক্ষী আছে আসল রাজা বলে তিনিই পরিচিত যাকে মানুষ ভক্তি শ্রদ্ধা না করে থাকতে পারেনা ।
এই মূল্যবান পাওনা কোনোভাবেই জোড়  জবরদস্তি করে পাওয়া যায়না ।
আর তুমি মূর্খের মত সিংহাসনে বসেই নিজেকে রাজা ভাববে
দাপট দেখিয়ে বলবে আমাকে সম্মান দাও আদর কর ;
আর নিজের দায়িত্ব গুলোকে মনে অব্দি রাখবেনা এটা কেউ কি করে মেনে নিতে পারে রাজা মশাই ??
কেউ কি মানবে রাজা মশাই ভাবুন ভাবুন !!
মানছি এক প্রজা খারাপ সে নিজের দায়িত্ব পালন করছেনা কিন্তু একজন রাজা !!
যে নিজের দায়িত্ব পালনের কথা ভাবে না সে অন্যের দিকে আঙুল তুলবে এটা স্বাভাবিক কী করে হয় !!
আগে অন্তত নিজের চরকায় তেল দেওয়া টা উচিৎ নয় কি ??
অন্যদিকে সেই প্রজা জনগণের মাঝে একজন সেই জনগন যাদের
এই যে শুনুন রাজা মশাই,
জনগণকে আগলে রাখার দায়িত্ব টা কিন্তু আপনি নিজেই নিয়েছেন কেউ কিন্তু জোড় জবরদস্তি করে সেই দায়িত্ব গুলো আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়নি মাথায় রাখবেন ।।

যে রাজা মশাই নিজের দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম সে জনগণের থেকে সম্মান বা আদরের কোনোটাই আশা করতে পারেনা কিন্তু জনগণ যেহেতু একটু সহানুভূতশীল হয় তাই ওই একটু সম্মান পাচ্ছেন তবুও যদি ভাবেন সেটা পোষাচ্ছে না তাহলে সেই টুকুও পাবার আশা রাখবেন না ভবিষ্যতে ।

এই মানুষটাকে আমি কোনদিনও সম্মান করতে পারবনা,
শুধু আমি বলে নয় সমাজের কোনো মানুষই করবেনা এমন মানুষকে সম্মান ।
শুধু সত্যি টা প্রকাশ্যে আশার দেরী ।।

বি: দ্র: - কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে উদ্দেশ্য করে এসব বলা হয়নি ।
 

Wednesday, October 5, 2022

নীল একটু অন্যরকম কেন !!

নীল বাড়ি ফিরছিল তারা হুরো করে,
আজ দেরী হয়ে গিয়েছে অনেকটা বাড়িতে ওর মা একা ওর অপেক্ষায় ছিল ।
প্রাইভেট কাজে এটা স্বাভাবিক হলেও নীলের কাজের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দায়িত্ব ওকে প্রত্যেক দিন এমন দেরী করতে হয়না, আর অভিয়েসলি পার্সোনাল লাইফের সামঞ্জস্য বজায় রাখা টা তার ফার্স্ট প্রায়োরিটিও বটে ।
ওর বস ও ওকে বাধা দেবার সাহস পায়না,
তবে আজকের ঘটনা টা একটু অন্যরকম ছিল নীলের কাছে
সে কোনওদিন ভাবেও নি এমনটা হবে ওর সাথে,
প্রথমে ভীষন শকড হয়ে পড়েছিল ।

আসলে নীল ভীষন ভাবে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে ওর লাইফের সমস্ত কিছুকে প্রাইভেট ভাবে রাখতে শুরু করেছিল প্রায় তিন বছর আগে থেকে এরপর নতুন শুরুর দিকে পা বাড়ায় এবং এই নতুন স্টার্টআপ (B STABLE) কোম্পানি তে অ্যাস আ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে জয়েন করে আর তখন থেকেই যেন ওর জীবনটা অগোছালো থেকে গোছালো হতে শুরু করেছে আর সেই কারনেই
ভীষন গোছালো ওর জীবন, কেউ জানেনা ওর লাইফের বাইরেটা ।
ব্যাক্তিগত ভাবে তো নয়ই এমনকি ওর জন্মদিন টা অব্দি কাউকে জানতে দেয়নি সে,
অফিসের সবার জন্ম দিনের তারিখ একটা নোটিস বোর্ডে লিখা থাকলেও নীল এর টা নেই ।
সে নিজে ম্যানেজার কে বলে ওর নাম টা বাদ দিয়েছে সেই লিস্ট থেকে ।
শুধু অফিসের কাজে যতটুকু জানার সেটুকুই শুধু জানে সবাই, তাছাড়া কাউকে সে আর কাছে আস্তে দেয়নি জানতে দেয়নি ওর লাইফটা কেমন অফিসের বাইরে ।

জীবনে ঘটে যাওয়া পুরনো কিছু ঘটনা যেন তাকে ভীষন রকম সাজিয়েছে নতুন করে ।
তবে এরপরেও কেউ একজন ওর বন্ধু হয়েছে অনেকটা কাছে এসেছে ওর ।
মেয়েটা ওর টিমের প্রধান সদস্য (টিম লিডার) অতএব ডাইরেক্টলি ইনডাইরেক্টলি ওই মেয়েটার সাথে কথা বলতেই হত নীল কে,
এর থেকেই ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব হয় আর সেই দারুণ সুন্দর বন্ধুত্ব টার এই প্রথবারের উদ্যোগ ছিলো নীলকে তার জন্মদিনের সারপ্রাইজ দেবার,
যার কোনরকম প্রত্যাশা নীলের ছিলনা কিন্তু এত সুন্দর ছিলো সারপ্রাইজ টা যে নীল নিজেকে সামলে নিতে পারছিলনা ।

দিনের শেষ টায় কেউ এভাবে তাকে সারপ্রাইজ দিতে পারে কোনোদিনও সে চায়নি বা এক্সপেক্ট ও করেনি কিন্তু হ্যা আজ যেন অফিসের সবাই অন্য একজন নীল কে দেখছিল ।
অবশেষে সবাই থ্যাংকস টা সেই মেয়েটাকে দিল, অভিনন্দন জানালো তাকেও ।

**

Monday, July 4, 2022

মানুষ স্বার্থপরতা টাই বেছে নেয় শুধু

বড্ড স্বার্থপর আমরা সবাই ।
শুধু নিজের ইচ্ছা পূরণের  জন্যে ছুটে বেড়াই,
পেছন ফিরে দেখার অব্দি সময় পাইনা ।
আমাদের কোনো ছোটো ইচ্ছে পূরণের রাস্তায় কেউ পিষে যায়নি তো ?
বড্ড স্বার্থপর আমরা, আবার কখনও তো আমাদের কোনো অদ্ভুত ইচ্ছে পূরণ কারোর নিঃস্ব হয়ে যাবার কারন আর 
সেটা জানা সত্বেও আমরা নিজের ইচ্ছা পূরণের দিকেই একনিষ্ঠ ভাবে তাকিয়ে থাকি ।
কাউকে সম্পূর্ন ভাবে শেষ করতেও ভয় করিনা।
যদিও বা আমাদের আসল করণীয় কর্তব্যে একনিষ্ঠ থাকিনা,
প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েও সেসব কাজ করিনা ।
খুব কি দরকার এমন ইচ্ছে গুলো পূরণ করার ?
আজকের দিনে তো কাউকে শেষ করা দেওয়া ব্যাপারটাকেও
রাঙিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে কিছু মানুষের দ্বারা ।
এটাকেও তো একপ্রকার ইচ্ছে পূরণই বলা যায় !!
কারোর ইচ্ছে হয়েছে তাই খুন করেছে একপ্রকার ইচ্ছে পূরণই তো ?
দেখতে দেখতে সব শেষ হয়ে যাবে কিছু জন
মানুষত্য টাকে শেষ হয়ে যেতে দেখবে কখনও ধর্মের নামে মানুষ মানুষকে শেষ করবে আবার কখনও দলীয় বিরোধিতায়।
এক পৃথিবী মানুষের বেশি সংখ্যক যখন নিজের বিনাশ দেখেও অদেখা করে তখন সেই কম সংখ্যক মানুষরা কিই বা করতে পারবে !!
প্রকৃতির শৃঙ্খলার কিচ্ছু বেচেঁ থাকবেনা না তখন তো সবাই স্মরণ করবে ভগবান কে,
ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে যতবার পৃথিবীর নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা হয়েছে ততবার পৃথিবীও তার ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি চালাতে থেমে থাকেনি ।
এসব কিছুই সবার জানা তারপরেও, মানুষ আসলেই ভূল জেনেও ভূল কাজ করতে একটি বেশিই ভালোবাসে।।

Friday, July 1, 2022

এতটা সস্তা হবার কিই বা দরকার

আমাদের সমাজের দায়িত্ব নিয়ে নিজের সমস্ত কিছু লুটিয়ে দিয়ে অনেকেই আজও খেটে যাচ্ছে কোনরকম প্রত্যাশা ছাড়াই।
তাদের কোনো রকম আশা প্রত্যাশা নেই যে মানুষ তাদের ভালোবাসবে কিনা বা মানুষ তাদের সাহায্যের বিনিময়ে ভবিষ্যতে তাদের নাম করবে কি না বা এমন ধরণের অনেক প্রত্যাশা যার কোনো বিন্দু মাত্র নেই ।
তারপরেও দিনের পর দিন রাতের অন্ধকারে অব্দি নিজের পরিবারের মত করে সমাজের জন্যে কাজ করে যায়।
অন্যদিকে কিছু মানুষ লোক দেখিয়ে দুই টাকা সাহায্য
করলে ব্যাপারটাকে মানুষ ভীষন ইতিবাচক ভাবে নেয় আর সেই সাহায্য করা মানুষটাই পেছন দিয়ে যদি আপনার থেকে একশো টাকাও চুরি করে, আপনার তখন কিচ্ছু যায় আসেনা কারণটা খুবই সিম্পল ।
আপনি কোনওদিন জানতে অব্দি পারবেন না যে আসল চোর টা সেই মানুষটাই যে আপনাকে দুই টাকা দেখিয়ে ভুলিয়েছে নাহলে কি দরকার মানুষ আপনাকে অকারণে দুই টাকা দেবে ?
যদি না তারা আসল সমাজসেবী হয়ে থাকে !!
আর আসল সমাজ সেবিরা ৫ বছরে একবার দেখা দেয়না ।

যখন আপনি বিছানায় পরে থাকেন, অভাব অনটনে দিন যায় তখন কি সেই মানুষটা সাহায্য করেছিল এসে?
যদি না হয় তাহলে জানুন যে ওই মানুষটাই ভোটের আগে আপনাকে দুই টাকা দিয়ে কি করে কিনে নিতে পারে ?
আপনি কি এতটাই সস্তা ?
আর একটা জিনিস ভাবুন একজন নেতা যদি ভোট কিনে নিয়ে ভোটে জিতে নিজের টাকা খরচ করে তাহলে জেতার পর,
জনগণের কাছে আসা টাকা গুলো সে মারবেনা সেটা কি করে ভাবেন তাহলে ?
আপনি অবশ্যই ঘুষ নেওয়ার বিরোধীতা করেন,
আর যদি করেই থাকেন তবে নিজেকে দুই টাকার বিনিময়ে বিক্রি করাটাকে কি বলবেন আপনার ভাষায, জানাবেন কিন্তু ।

ভেবে দেখার সময় জানি নেই কিন্তু কখনও কি দুঃখ হয় একশো টাকা চুরি হয়ে গেলে সরকারের দেওয়া আপনার পাওনা জিনিসগুলো না পাওয়ার ঘটনায় ?
তখন কি আদৌ আপনার ভাবনা গুলো চুপ থাকে ?

হয়তো তখন থাকেনা জানি আর থাকার কথাও নয় কিন্তু ভূল টা কার জানেন তো?? আপনি কোনদিন মানসিকতা নিয়ে ভাবেননি আর তখন শুধু নিজেকেই দোষী মনে করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকবেনা ।
তারপরেও অনেকেই সত্যিটা জানতে অব্দি পারেনা তাদের একশো টাকা টা কে চুরি করেছে ।
তাদের পাওনা জিনিসগুলো কেন পেলনা তারা !

সাধারণ মানুষের দিন যে কোনো ভাবে চলে যায় বছরের পর বছর,
আমি আপনি সবাই জানি খেটে খুঁটে দিন কেটে যায় ।
খারাপ ভালো সমস্ত রকম অবস্থায় শুধু পরিবারের এবং আশেপাশের লোকেরা পাশে থাকে বিশেষ করে খারাপ অবস্থায় থাকলে সাহায্যের হাত টা কে বাড়ায়?
অবশ্যই আপনার কোনো অপনজন তাইতো?
তবে ভোটের আগে আপনাকে কেউ একদিনের মাংস ভাত দিয়ে দিলে আপনি কি করে ভূলে যেতে পারেন আপনার নিজের মূল্যবোধ কে ?

চোখে কি পরেনা আপনার সত্যিটা!
এতোটাই লোভী কি আপনি ?
আর আপনি কি সত্যিই এটি সস্তা মূল্যের মানুষ যাকে এভাবে দুই টাকার বিনিময়ে কেনা যায় ।
নিজেকে জিজ্ঞেস করুন,
উত্তর টা হয়তো আপনার অপছন্দের হবে কিন্তু বাস্তব এটাই আপনার নিজস্বতা কে এভাবে বিকিয়ে দেওয়া টা কে কি বলবেন সমাজ বদলানোর পদক্ষেপ !!

সমাজ বদলাবে না এমন চিন্তাধারাকে যতদিন না মানুষ প্রশ্রয় দেওয়া বন্ধ করবে ।
যতদিন না নিজেকে বিকিয়ে দেওয়া বন্ধ করবে ।

Sunday, October 3, 2021

নতুন পথের সাথী

নতুন অধ্যায়!! রাতের ট্রেন, দূরত্বের পথ যেন দূরত্বের ছিলই না গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়াটাই বিরক্তির ভঙ্গীতে প্রকাশ পেল তার চোখে, সে চেয়েছিল আরেকটু সময় আমার আঙ্গুলে আঙুল রেখে কাটাতে, কাধে মাথা রেখে আরেকটু সময় ঘুমিয়ে নিতে কিন্তু আমি নিজেকে বেসামাল করতে চাইনা আর আবেগে আপ্লুত হয়ে নিজেকে দোষী মনে করতেও চাইনা ।
এবারের পাশে থাকাটাই অন্যরকম লাগছে আমার, বিশ্বাস করতে ভয় করছে আবারও কাউকে, উল্টোদিকে সে সমস্ত অদ্ভুত শর্তে রাজি, স্টেশনে বসে একসাথে সকালের চায়ে চুমুক দিচ্ছি এই প্রথম । মনে হচ্ছে ক্যামেরা বন্দি না করাটাই স্বাভাবিক পুনরায় কারোর অনুপস্থিতিতে তার ছবি দেখে না কাটানোর মত কোনো দিন যেন আর আসেই না সামনে আর সেইটা আগে থেকেই একরকম প্ল্যান করে রাখা ।

নতুন অফিসে জয়েন করার পরে থেকেই আমি যে হোটেলে দুপুরের লাঞ্চ করতে ঢুকতাম সেই হোটেলেই তারও আগমন প্রথম দিন থেকেই আর এই প্রত্যেকদিনের দেখা সাক্ষাৎ টাই আমাদের দুজনকে কাছে আসার উদ্দেশ্য দেয় এবং একটা সময় আমাদের অপরিচিতীর সীমানা টা ভেঙ্গে গেল আর নতুন একজনের বন্ধু হলাম ।
ভীষন সুন্দর এক মেয়ে, আমার অফিসের পাশের অফিস টায় ভালো একটা পদে রয়েছে জেনে ভালই লাগল তার পছন্দ, অপছন্দ এবং আমার কাছে আসার উদ্দেশ্য টাই বা কি ছিল তার ।
আমি এভাবে সবাইকে স্বাগত জানাতে পারিনা কিন্তু এই মেয়েকে না বলতেও পারিনি আর আজ আবারও কারোর অনেক প্রিয় হতে শুরু করলাম জানিনা আবার সেও ছেরে পালাবে কি না কিন্তু প্রীয় মানুষের ছেরে যাবার ভয় টাকে দূর করতে পারছিনা এখনও যদিও জানি একজনের করা কাজের সাথে অন্য কাউকে মেশাতে নেই তারপরেও বিশ্বাস ভাঙার ভয়টা দূর হচ্ছেই না বলা যায় ।

জানিনা সে কেনই বা আমার সাথে মিশতে ব্যাস্ত হয়ে পরল এভাবে, ধীরে ধীরে আরও কাছে আশা আর আমার ভয় বাড়তে থাকা ।
সহজ ভাবে হাসতে হাসতে সময়ের চলে যাওয়া টা ভালো লাগার হলেও কিছু অদ্ভুত ভাবনা চিন্তা আমায় ভীষন ভীত করে রেখেছে । 
ছবির বদলে লেখা গুলোর ডায়রির পেজে স্মৃতিবদ্ধ রাখার প্রস্তুতি ।
পৌঁছে যাওয়া স্টেশন থেকে ৮ কিলোমিটার দূরেই দুজনের ভীষন প্রীয় প্রকৃতির দৃশ্য, আমাদের ডাক দিচ্ছে যেন আর হাঁটা পথে আমাদের এগিয়ে চলা একদিকে গন্তব্য অন্যদিকে আমাদের স্বপ্নীল আগামী ।